২০১৮ সালের কথা। বাংলাদেশে মোবাইল ইন্টারনেট সবে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ছে, স্মার্টফোন সাধারণ মানুষের হাতে আসছে। তখন অনলাইন গেমিং ও স্পোর্টস বেটিংয়ের চাহিদা ছিল প্রচুর, কিন্তু বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের জন্য ভালো অভিজ্ঞতার কোনো ভরসাযোগ্য জায়গা ছিল না। বেশিরভাগ প্ল্যাটফর্ম ছিল বিদেশি, ইন্টারফেস ইংরেজিতে, পেমেন্ট পদ্ধতি দেশীয় বাস্তবতার সাথে মেলে না। সেই শূন্যতা থেকেই জন্ম হয়েছিল 999 Jaya-র।
আমাদের প্রতিষ্ঠাতা দলটি বাংলাদেশের ক্রীড়া সংস্কৃতি গভীরভাবে বোঝেন। এই দেশে ক্রিকেট শুধু একটি খেলা নয়, এটা জাতীয় আবেগ। বৃষ্টির দিনে অফিসের ক্যান্টিনে, চায়ের দোকানে বসে বন্ধুদের সাথে ম্যাচ নিয়ে তর্ক-বিতর্ক — এই অভিজ্ঞতাটাকে ডিজিটাল রূপ দেওয়াই ছিল 999 Jaya-র প্রথম স্বপ্ন। তাই আমরা শুরু থেকেই বাংলায় পূর্ণ সাপোর্ট, বিকাশ-নগদে পেমেন্ট এবং বাংলাদেশের জনপ্রিয় খেলাগুলোকে প্রাধান্য দিয়েছি।
প্রথম বছরেই যা অর্জন করলাম
২০১৮ সালে মাত্র কয়েক হাজার সদস্য নিয়ে শুরু করা 999 Jaya প্রথম বছরেই এক লাখের বেশি নিবন্ধিত সদস্য পায়। মানুষ যখন দেখলেন বিকাশে ডিপোজিট করলে সাথে সাথে ব্যালেন্সে আসছে, জেতার টাকা ১০ মিনিটে হাতে পাচ্ছেন এবং বাংলায় লাইভ চ্যাটে সমস্যার সমাধান হচ্ছে — তখন মুখে মুখে ছড়িয়ে গেল। বিজ্ঞাপনের চেয়ে আমাদের ব্যবহারকারীরাই সবচেয়ে বড় প্রচারক হয়ে উঠলেন।
ক্রিকেটের পাশাপাশি ধীরে ধীরে ফুটবল, কাবাডি, টেনিস এবং ই-স্পোর্টস বিভাগ যোগ করা হলো। প্রতিটি নতুন ফিচার যোগ করার আগে আমরা ব্যবহারকারীদের মতামত নিয়েছি। এই "ব্যবহারকারী-প্রথম" মানসিকতাই 999 Jayaকে অন্যদের থেকে আলাদা করে রেখেছে।
আজকের 999 Jaya
আজ ২০২৬ সালে 999 Jaya-তে ৫০ লাখেরও বেশি নিবন্ধিত সদস্য আছেন। প্রতিদিন লক্ষাধিক বেট হয়, হাজারো ম্যাচে লাইভ বেটিং চলে। আমাদের প্রযুক্তি দল প্রতিনিয়ত প্ল্যাটফর্মকে আরও দ্রুত ও নিরাপদ করতে কাজ করছে। মোবাইল অ্যাপ এখন Android ও iOS উভয়েই পাওয়া যাচ্ছে, এবং ৩G নেটেও মসৃণভাবে চলে।
আমাদের সাফল্যের রহস্য সহজ — আমরা কখনও ব্যবহারকারীর বিশ্বাসের সাথে আপোষ করিনি। পেমেন্টে দেরি নেই, অডসে কারচুপি নেই, ডেটায় গোপনীয়তার লঙ্ঘন নেই। এই তিনটি নীতি প্রথম দিন থেকে আজ পর্যন্ত অপরিবর্তিত আছে, এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।
ভবিষ্যতের দিকে
আমরা থামিনি। 999 Jaya-র পরবর্তী লক্ষ্য আরও উন্নত লাইভ স্ট্রিমিং, আরও বেশি স্থানীয় পেমেন্ট অপশন এবং বাংলাদেশের প্রান্তিক অঞ্চলের মানুষদের কাছে পৌঁছানো। আমরা বিশ্বাস করি প্রযুক্তি মানুষের জীবনকে আরও আনন্দময় করতে পারে, এবং সেই বিশ্বাস থেকেই প্রতিদিন নতুন কিছু তৈরি করছি।